27.1 C
Kolkata
Thursday, May 13, 2021

US Intelligence: রাজনৈতিক অস্থিরতায় ২০৪০ সালের মধ্যে তছনছ হয়ে যাবে বিশ্ব, দাবি মার্কিন গুপ্তচরদের!

Must read

#ওয়াশিংটন: ২০৪০ সালেই শেষ হতে পারে বিশ্ব, এমনই একটি সতর্কতা জারি করেছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাকে এই সঙ্কটের নেপথ্যে দায়ী করা হয়েছে। এই রিপোর্টের মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে প্রতিযোগীর মনোভাবের প্রবণতা ঠিক কোন দিকে এগোতে পারে। এই সংক্রান্ত রিপোর্ট ১৯৯৭ সাল থেকে মার্কিন দেশের জাতীয় গোয়েন্দা কাউন্সিল (National Intelligence Council) প্রতি চার বছর অন্তর প্রকাশ করে, সেই মতো এবারের রিপোর্ট তাদের ৭ম সংস্করণ। গ্লোবাল ট্রেন্ডস ২০৪০-এর রিপোর্টে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা-র (USNIC) লক্ষ্য ছিল, কেন বিশ্ব জুড়ে অস্থিরতা শুরু হয়েছে তা বিশ্লেষণ করা। প্রথমে তাঁরা বোঝার চেষ্টা করেছেন বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে কী এমন ঘটছে, যার কারণে অসহিষ্ণুতা চরমে উঠছে। রিপোর্টিতে প্রথম কারণ হিসেবে তাঁরা যা বলেছেন, সেটা হল- ‘রাজনৈতিক অস্থিরতা’।

রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে- “এমন অনেক দেশ রয়েছে যেখানকার বাসিন্দারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোনও ধারণা তৈরি করতে পারছে না, সেখানকার জনসংখ্যাবৃদ্ধি, প্রযুক্তি, অর্থনীতির মতো গুরুত্বপুর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে রাজনৈতিক নেতারা কোনও যুক্তিমূলক অশ্বাস দিতে পারছে না, বরং তাদের হতাশার কারণ হয়ে উঠছে”। এর পর বলা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত গণতন্ত্র নিয়ে। বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে কোনও রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক ভাবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য এমন কিছু দাবি করে, যা তারা কোন চিন্তা না করেই করে।

বলা হয়েছে “সরকারের সামর্থ্য এবং জনসাধারণের প্রত্যাশার মধ্যে অমিল তৈরি হওয়ার কারণ সম্ভবত রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বাড়তে থাকা মেরুকরণ। এর ফলে প্রতিবাদ আন্দোলন চরমে উঠছে, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে এবং সঠিক নেতৃত্বের অভাব থাকছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে”। প্রতিবেদনে এরপর যা বলা হয়েছে সেটা ভীষণ গুরুত্বপুর্ণ। করোনা অতিমারীকে “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সব চেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে ধরা হয়েছে, যা কি না এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের বিভাজনকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে, যা শাসক দলকে আরও বেশি করে চ্যালেঞ্জ নিতে বাধ্য করেছে”। এই রিপোর্ট যাঁরা বানিয়েছেন, তাঁরাও স্বীকার করে নিয়েছেন যে তাঁরা আগে থেকে এর আভাস ঘুণাক্ষরেও টের পাননি। তাঁরা বলেছেন যে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি হঠাৎ করে বিশ বাঁও জলে পতিত হয়েছে, নতুন প্রযুক্তি অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

সীমানার লড়াই তো এখন আর নতুন কিছু নয়। বিশ্বের প্রতিটি দেশ অন্য দেশকে দমন করার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা দাবি করেছেন বিগত দুই দশক ধরে বিশ্বব্যাপী ঠাণ্ডা যুদ্ধ চলছে। জাতিসংঘের দুর্বলতার কারণে প্রতিযোগিতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে চলেছে। জিহাদি সন্ত্রাস বাড়ার সম্ভাবনা প্রকট হতে পারে। এমন কি ‘ভার্চুয়াল সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ শিবির’ তৈরি করে বড় অঘটন ঘটতে পারে। সরকার-বিরোধী চরমপন্থীরা ইয়োরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকাতে উৎপাত চালাতে পারে। বিশ্বের বড় দু’টি শক্তি যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের মধ্যে প্রতিযোগিতা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে তাতে মনে হচ্ছে ভবিষ্যতে এই দু’টো শক্তিই অন্যদের নেতৃত্ব দেবে!



Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article