28 C
Kolkata
Sunday, May 9, 2021

Clash in Myanmar: একদিনে ‘খুন’ ৮০-দু’মাসে ৭০০, আমজনতার দিকে ধেয়ে আসছে সেনার ঝাঁকেঝাঁকে গুলি!

Must read

#মায়ানমার: সেনাশাসন বিরোধীদের রক্তে ফের রক্তাক্ত মায়ানমারের মাটি। রাজধানী ইয়াঙ্গন থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরের বাগো শহরে সেনার গুলিতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৮০ জন বিক্ষোভকারীর। শনিবার সেখানে আন্দোলনকারীদের উপর সেনা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। আর তাতেই কমপক্ষে ৮০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর। সেনার গুলিতে বেশ কয়েকজন শিশুরও মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি রাজনীতিকদের বন্দি করে মায়ানমার সেনা দেশের দখল নেওয়ার পর, গত দু’মাসে সেনার গুলিতে প্রায় ৭০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন মায়ানমারে। এর মধ্যে রবিবারই সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রইল।

সেনা শাসনের বিরুদ্ধে গত দু’মাস ধরেই বিক্ষোভে উত্তপ্ত মায়ানমার। এরই মধ্যে গত শুক্রবার থেকে ইয়াঙ্গন, মান্দালয়, বাগো এবং আরও বেশ কিছু শহরে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বারবার হুঁশিয়ারিও দিচ্ছে সেনা। সেনার তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, পিছু না হটলে মাথায় অথবা পিছন থেকে গুলি করে মারা হবে তাঁদের। কিন্তু সেনার হুঙ্কারেও পিছু হটেননি আন্দোলনকারীরা। আর তাতেই নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করেছে সেনা। আর এর ফলেই অন্তত ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

নেত্রী আং সান সু কি’র মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন মায়ানমারের গণতন্ত্রকামীরা। প্রতিবাদ থামাতে অত্যাধুনিক হাতিয়ার নিয়ে নেমেছে সেনা বাহিনী। আর দিনের পর দিন ধরে চলা দু’পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কিছু সেনারও মৃত্যু হয়েছে। নির্বিচারে অত্যাধুনিক রাইফেল থেকে গুলি চালাচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীরা। ফলে আসলে মৃত্যুর সংখ্যা কত, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই। স্থানীয়দের অনেকেরই দাবি, নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গাড়িতে করে মৃতদেহ পাচার করে দিচ্ছে সেনা। বাদ পড়ছেন না মহিলা ও শিশুরাও।

যদিও গণতন্ত্র রক্ষার তাগিদেই সেনা অভ্যুত্থান ঘটানো হয়েছে বলে শুরু থেকেই সাফাই দিচ্ছে মায়ানমারের ক্ষমতাসীন জুন্টা নেতৃত্ব। কিন্তু সেনার হাতে অপসারিত সে দেশের জুন্টা-বিরোধী সরকাররে মুখপাত্র সাসা বলেন, ‘দেশের সশস্ত্র বাহিনীর এই ধরনের অত্যাচার লজ্জাজনক।’তবে নিরস্ত্র মানুষের উপর এভাবে নির্বিচারে গুলি চালানো নিয়ে এখনও কোনও রকম পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেনি মায়ানমার সেনা। বরং সশস্ত্র বাহিনীকে এভাবেই পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে বলে অভিযোগ জুন্টা-বিরোধীদের। আর সেই সূত্রেই মায়ানমারের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে গেরিলা বাহিনীগুলি সেনার বিরুদ্ধে গোপন প্রতিরোধ শুরু করেছে। আর তাতে নিশানা করা হচ্ছে সেনাকে। সেনা বিরোধী গোষ্ঠীগুলিও গেরিলা বাহিনীর সাহায্য নিচ্ছে।



Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article