28 C
Kolkata
Sunday, May 9, 2021

সবচেয়ে বেশি রেমডেসিভির পাবে মহারাষ্ট্র-গুজরাট, উৎপাদন বাড়ালো কেন্দ্র – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

নয়াদিল্লি: রেমডেসিভিরের জন্য দেশজুড়ে শুরু হয়েছে হাহাকার। সর্বত্র এই ড্রাগের আকাল। কালোবাজারি চলছে রেমডেসিভিরের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সদানন্দ গৌড়া জানিয়েছেন, দেশের এই পরিস্থিতিতে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে রেমডেসিভিরের। আর সেই কারণে বিভিন্ন জায়গায় সাপ্লাইয়ের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে পরিবর্তন।

কেন্দ্রীয় কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্টিলাইজার মন্ত্রী সদানন্দ গৌড়া জানিয়েছেন, রেমডেসিভিরের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর রাজ্যগুলিতে এই ড্রাগের বণ্টন প্রক্রিয়ার মধ্য়েও আনা হয়েছে পরিবর্তন। এর সরবরাহ বাড়ানোর ফলে করোনার মতো মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে সাহায্য হবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে কেন্দ্রকে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র মেডিক্যাল প্রেসক্রিপশন দিয়েই পাওয়া যাবে রেমডেসিভির। করোনা রোগীদের দৃঢ়ভাবে মেডিক্যাল প্রোটোকল মেনে চলতে হবে।

জানা গিয়েছে সবচেয়ে বেশি রেমডেসিভির পাঠানো হবে মহারাষ্ট্রে। ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫০০ ভয়াল এই রাজ্যের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী জাইডাস কাডিলা, হেরেরো, মাইলান, সিপলা, সিনজেন / সান, জুবিল্যান্ট ও ড. রেড্ডির ল্যাবরেটরি থেকে মহারাষ্ট্রে এই ড্রাগ সরবরাহ করবে। মহারাষ্ট্রের পর সবেচেয়ে বেশি রেমডেসিভির যাবে গুজরাটে। এই রাজ্যে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫০০টি রেমডেসিভির যাবে। তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমডেসিভির পাবে উত্তর প্রদেশ। ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৩০০টি। কেন্দ্র সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য ২০ হাজার ভয়াল বরাদ্দ করা হয়েছে। গোটা রাজ্যের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৮ লক্ষ ভয়াল।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দেওয়ার পর দেশে উত্তরোত্তর বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে দেশে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে এই ওষুধ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মানদাভিয়া জানিয়েছেন, সরকার এর উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে এর চাহিদা বাড়ে ও দাম কমে তার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসে ৮০ লক্ষ রেমডেসিভির প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বসে সরকারি তরফে খবর। এই সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগে রেমডেসিভির দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে কমিয়ে আনা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article