28 C
Kolkata
Sunday, May 9, 2021

শান্ত থাকুন, মমতার আবেদন –

Must read

কলকাতা : ভোট গণনার পরই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষের অভিযোগ আসছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মানুষদের শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানালেন। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “হিংসা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোভিড অতিমারীর সময় মানুষের পাশে থাকতে হবে। শান্ত থাকুন ,অভিযোগ থাকলে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান। শান্তি-শৃঙ্খলার দায়িত্ব পুলিশের। বিজেপি , কেন্দ্রিয় বাহিনী যদিও অনেক অত্যাচার করেছে ।”
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুন করেছে বিজেপি। কোচবিহারে আক্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। কোচবিহারের এসপি বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। কয়েকজন পুলিশ বিজেপির হয়ে আসরে নেমেছিল। সেইসব পুলিশ অফিসার মনে করে ঠিক কাজ করেছে, আমি মনে করি না। আইন সামলানোর দায়িত্ব পুলিশের। এটা পরে বুঝবো।”

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের শান্তির, সংস্কৃতির একটা ধারা আছে। সেটাকে বজায় রাখতে হবে। বিজেপি এর পরেও গোলমাল করছে। আমি বলছি শান্ত থাকুন। এখন প্রয়োজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে প্রচুর মানুষ বিপদে পড়েছেন। এই বিষয়টা আমাদের আগে দেখতে হবে। বিজেপি-র বুঝতে হবে তারা শাহেন শা নয়। এসব মানুষ ঠিক করে। আমরা ৩৬৫দিন মানুষের কাজ করি। মানুষকে উজ্জীবিত করি। মোদীর অশ্বমেধের ঘোড়া রাজ্যের জাত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ রুখে দিয়েছে।” বাংলার মায়েরা ও তরুণরা পারে বিজেপিকে রুখে দিতে। বিজেপিকে রুখে দিতে সব কৃতিত্ব জনগণের।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “আমাদের প্রধান গুরুত্ব করোনা। আমি নির্বাচনের মধ্যেও করোনা নিয়ে মনিটরিং চালিয়েছি। আমরা এখন কোনও বিজয় উৎসব করছি না। ইটা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ব্রিগেডে করব। দেশের নেতাদের আহ্বান করা হবে। তবে আজ তৃণমূল ভবনে জয়ী বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করব। শপথ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হবে। আজ সন্ধ্যায় রাজভবনে যাব।” তৃণমূল ভবনের এই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সব বিধায়ক হয়তো আসতে পারবেন না , করোও করোও করোনা হয়েছে।”

মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমায় ফলের পর ফোন করেননি। ট্যুইট করেছেন তো কী হয়েছে। যদিও আমায় এসব নিয়ে কিছু বলতে চাই না। কারণ তিনি কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন।”

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article