29 C
Kolkata
Sunday, May 16, 2021

শপথ গ্রহণের আগেই মমতাকে অভিনন্দন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

ঢাকা: প্রতিবেশি ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী পদে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে অভিনন্দন জানালেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড এ কে আবদুল মোমেন।

বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, ড মোমেনের অভিনন্দন বার্তা কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের তরফে পশ্চিমবঙ্গের মু়খ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।

ইতিমধ্যেই বিদেশমন্ত্রীর সেই অভিনন্দন বার্তার কিছু অংশ সংবাদ মাধ্যমের কাছে এসেছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা চিঠিতে বিদেশমন্ত্রী ড. মোমেন অভিনন্দন জানান। তিনি লিখেছেন, বলেন, “আমরা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ, কারণ আপনি বাঙালির দীর্ঘ লালিত মূল্যবোধ ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ’ ধারণ করেছেন।” এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্প্রীতির ভূমিকা উল্লেখ করেছেন বিদেশমন্ত্রী ড মোমেন।

কলকাতার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আত্মিক যোগ। তিনি ছাত্রাবস্থায় কলকাতায় দীর্ঘ সময় ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে পশ্চিমবঙ্গবাসীর অবদান চিরস্মরণীয়। কলকাতায় বঙ্গবন্ধুকে দেওয়া গণসংবর্ধনা ঐতিহাসিক জমায়েত হিসেবে বিশ্বে চিহ্নিত।

বিদেশমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিদ্যমান এবং সাম্প্রতিক বছরে দুই দেশের পারস্পারিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো আরও প্রসারিত হয়েছে। অবিভক্ত ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা, মূল্যবোধ এবং বংশানুক্রমিক সংযোগ দুই দেশের জনগণের সম্পর্ককে অনন্য ও শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে, পশ্চিমবঙ্গের জনগণ বাংলদেশিদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে রেখেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপনের এ বিশেষ বছরে আমি পশ্চিমবঙ্গের জনগণসহ ভারতের জনগণ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমর্থন ও আত্মত্যাগকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে ফের সরকার গড়তেই তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকায় বিদেশমন্ত্রী ড এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের বিষয়টি বাংলাদেশের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক থাকবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর চলছে। দুই দেশের মধ্যে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। মূলত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অবস্থানেই এই চুক্তি আটকে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। তবে তিস্তা জলবন্টন চুক্তি করতে রাজি নন মমতা। তাঁর যুক্তি, গ্রীষ্মকালে তিস্তার জল এমনিতেই কম থাকে। কোনওভাবেই জল দেওয়া সম্ভব নয়।

তিস্তার জলপ্রবাহ আন্তর্জাতিক। ভারতের সিকিম থেকে বেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ও বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তিস্তা। বাংলাদেশের যুক্তি তিস্তার জলপ্রবাহের অংশ আটকে না রেখে বাংলাদেশকে দিতে হবে। এই নিয়ে আলোচনা চলছে। বিদেশমন্ত্রী ড এ কে আবদুল মোমেন বলেন, তিস্তা নদীর জল বণ্টন নিয়ে আমরা আগের মতো কাজ করে যাব। এতে কোনও সমস্যা হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article