27.1 C
Kolkata
Thursday, May 13, 2021

রাস্তায় অকারণে প্লাস্টিক ফেলা, উচিত শিক্ষা দিল সারমেয় –

Must read

নয়াদিল্লি: রাস্তা ঘাটে চলতে ফিরতে রাস্তার মধ্যে প্লাস্টিক ফেলাটা আমাদের একটা অভ্যাসে পরিনত হয়ে গিয়েছে বলাইবাহুল্য বদঅভ্যেস। যেমন ধরুন গাড়িতে বসে কিছু খেয়ে তার প্যাকেটটা জানলা দিয়ে সটান রাস্তায় ফেলে দিই আমারা।এদিকে পাশেই হয়তো রয়েছে ডাস্টবিন কিন্তু সেদিকে নেই কারও ভ্রূক্ষেপই।

এমন বদঅভ্যাসের জন্য এবার উচিত শিক্ষা পেয়েছেন এক গড়ির চালক। গাড়ির জানলা দিয়ে রাস্তায় একটা প্লাস্টিক প্যাকেট ফেলেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর গাড়ির পিছনেই আসছিল একটি কুকুর। ব্যাপারটা দেখেই এগিয়ে আসে ওই চারপেয়ে। কিন্তু তারপর সারমেয়টি যা কাণ্ড করেছে, তা সত্যিই অবাক করে দেয় সকলকে। প্যাকেট রাস্তায় ফেলার পরও খানিকক্ষণ গাড়ির জানলার কাচ খোলা রেখেছিলেন ওই চালক। সেই সুযোগে সদব্যাবহার করে দেয় সেই কুকুরটি। প্যাকেটটা মুখে করে তুলে সোজা গাড়ির ভিতরে ফেলে দেয়।

গোটা ঘটনাই ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। আর সেই ভিডিয়ো ক্লিপিংস টুইটারে শেয়ার করেছেন আইএফএস অফিসার সুধা রমেন। দেখা গিয়েছে, ওই ভিডিয়ো ইন্সটাগ্রামে কেউ শেয়ার করেছিলেন প্রাথমিক ভাবে। সেটাই সুধা নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে শেয়ার করেছেন। সেই টুইট দেখে সকলেই তাজ্জব বনে গিয়েছেন। ওই কুকুরটির কর্মকান্ড দেখে প্রশাংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা। সেই সঙ্গে তাঁরা বলেছেন, ‘উচিত শিক্ষা পেয়েছে’।

ইতিমধ্যেই নেট দুনিয়ায় এই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে।  অন্যান্য টুইটারিয়ানরাও এই ভিডিয়ো দেখে মশকরায় মেতেছেন। কেউ বলেছেন, সব নেড়ি কুকুরকে এরকম ট্রেনিং দেওয়া উচিত। কেউবা বলেছেন, ‘পশুপাখিরা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়, আবারও তার প্রমাণ পাওয়া গেল।’ সকলেই প্রশংসা করেছেন কুকুরটির ট্রেনিংয়ের। অনেকে বলছেন, ‘যোগ্য জবাব দিয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে মানুষের থেকে কিছু ক্ষেত্রে কুকুরদের বিচক্ষণতা বেশি।’

তবে আমাদের উচিত প্লাস্টিক বর্জন করা এবং দূষন মুক্ত পৃথিবী গড়া। এবং অবশ্যই উচিত গাড়িতে বসে কোনও কিছু খেয়ে সেটা সটান রাস্তায় না ফেলা তাছাড়া ডাস্টবিন ব্যবহার করাটাও খুব জরুরি।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article