31 C
Kolkata
Friday, May 7, 2021

যাঁদের দ্বিতীয় ডোজ বাকি তাঁদের আগে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে: মুখ্যমন্ত্রী – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যে ভ্যাকসিন সংকট। তাই যাঁদের দ্বিতীয় ডোজ বাকি রয়েছে তাঁদেরই আগে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে৷ শনিবার একথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিকে, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। ১৮ বছরের উর্ধ্বে কারোর করোনা টিকাকরণ এখন হবে না রাজ্যে।

করোনার ভ্যাকসিনের ভাঁড়ে মা ভবানী দশা। সরকারি বেসরকারি কোনও হাসপাতালেই করোনার টিকা পাওয়া যাচ্ছে না। একাধিক সরকারি হাসপাতালে টিকা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন মানুষ। এই নিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হচ্ছে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের। কলকাতার একাধিক হাসপাতালে আজ বন্ধ করোনার টিকাকরণ। অনেক জায়গায় আজ-কাল, পরপর দু’দিনই বন্ধ ভ্যাকসিনেশন! এমআর বাঙুর হাসপাতালে টিকা নিতে এসে ফিরে যেতে হল অনেককে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সব সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল স্বাস্থ্য দফতর। ভ্যাকসিনের অভাবে একাধিক হাসপাতালে টিকাকরণ এখন বন্ধ রয়েছে।

আরও পড়ুন: রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীকের এক অজানা ইতিহাস! অর্থ জানলে মুগ্ধ হবেন

বৈঠকের পর স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, ১৮ বছরের উর্ধ্বে কারোরই টিকা করণ এখন রাজ্যে হবে না। আগে ৪৫ বছরের উর্ধ্বে সকলের সেকেন্ড ডোজ এবং প্রথম ডোজের টিকাকরণ হবে তার পরে ধাপে ধাপে ১৮ বছরের উর্ধ্বে সকলের টিকাকরণ করা হবে৷

এদিকে, তৃতীয় দফার ভ্যাকসিনেশন শুরুর আগেই বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে করোনার টিকাকরণ নিয়ে গাইডলাইন পাঠিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ৩০ এপ্রিলের পর করোনা ভ্যাকসিনের সমস্ত পুরনো স্টক রাজ্য সরকারকে ফেরত দিতে হবে। ১ মে থেকে করোনার টিকাকরণ চালাতে হলে বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে সরাসরি উৎপাদনকারী সংস্থার কাছ থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিতে হবে। তবে এরই মধ্যে বেসরকারি হাসপাতাল হিসেবে অ্যাপোলো, ম্যাক্স ও ফর্টিস আশ্বাস দিয়ে জানিয়ে দেয়, তাদের কাছে ভ্যাকসিন রয়েছে। অর্থাৎ শনিবার থেকে তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণের করোনার ভ্যাকসিন দিতে পারবে তারা। যদিও রাজ্যে পর্যাপ্ত ডোজ না থাকায় পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভ্যাকসিন কর্মসূচি শুরু করতে পারেনি রাজ্য।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article