31 C
Kolkata
Friday, May 7, 2021

বেসরকারি কেন্দ্রে প্রথম ডোজ নিলেও দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া যাবে বিনামূল্য – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

নয়াদিল্লি: করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে রবিবার জানানো হয়েছে যে সব স্বাস্থ্য কর্মী (HCWs) ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার (FLWs) বেসরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাঁরা কোনও সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবে। এঁরা ছাড়াও ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে যাঁরা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ বেসরকারি হাসপাতাল থেকে নিয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রেও এই নীতি প্রযোজ্য। তবে সব ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিন নিতে হবে ৩০ এপ্রিলের আগে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মনোহর অগনানীর একটি বিবৃতি জারি করে বলেন, যে সব স্বাস্থ্য কর্মী ও ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বরা বেসরকারি কেন্দ্র থেকে করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁরা সরকারি কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন। আর তা হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্য়ে। আর যদি তাঁরা বেসরকারি কেন্দ্র থেকেই ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেন তবে তাদের সেই ভ্যাকসিন নির্ধারিত মূল্যেই কিনতে হবে। তবে সব ক্ষেত্রেই ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ ৩০ এপ্রিলের মধ্য়ে নেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

তবে ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া সরলীকরণ করার কথা হলেও একাধিক রাজ্য়ে এখন রয়েছে ভ্যাকসিনের আকাল। ফলে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গত ১ মে থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল ১৮ বছরের ঊর্ধ্বদের টিকাকরণ। কিন্তু সেই টিকাকরণ এখন বিশ বাঁও জলে। কারণ, একাধিক রাজ্য জানিয়ে দিয়েছে তাদের হাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকা নেই। ফলে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বদের টিকা দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ফলে করোনা যখন ভয়াবহ, তখনও সুরক্ষার জন্য টিকাকরণ সম্ভব হচ্ছে না। দিল্লি সরকার ঘোষণ করেছে দেওয়ার জন্য তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত টিকা নেই। প্রাইভেট কোম্পানির থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে তারা। এছাড়া ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সবাইকে টিকা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন নেই বলে ঘোষণা করেছে শিল্পনগরী মুম্বই। একই অবস্থা পশ্চিমবঙ্গেও। ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে রয়েছেন এমন মানুষদের ১ মে থেকে করোনা ভ্যাকসিন দিতে যে পরিমাণ ভ্যাকসিন লাগবে সেটা স্বাস্থ্য দফতরের হাতে নেই। তাই সরকারি, বেসরকারি হাসপাতাল, সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীদের মাথায় চিন্তা।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article