31 C
Kolkata
Friday, May 7, 2021

বিহারে গিয়ে কিংসফোর্ড নিধনের ছক কষেছিল বাংলার দুই যুবক – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : যুগান্তরেরই সদস্য সুশীলকে অকথ্য অত্যাচার করেছে অত্যাচারী ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড। যিনি আগে প্রেসিডেন্সি জেল ও পরে বিহারের জেলে বিপ্লবীদের বিপুল অত্যাচার করতেন। সেই কিংসফোর্ডের উপর বদলার জন্য তৈরি দুই গ্রাম্য কিশোর। ওঁরা ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী।

৩০ এপ্রিল হল সেই দিন যেদিন কিংসফোর্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার ছক কষেছিল। ১৯০৮ এর প্রথম সপ্তাহে কলকাতায় এক গোপন আস্তানা। যুগান্তর দলের সভা বসেছে। সভায় উপস্থিত অরবিন্দ ঘোষ, সুবোধ মল্লিক, চারু দত্তরা। খ্যাতনামা সব বিপ্লবী। উপস্থিত ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকীও। নিতান্তই ‘শিশু’ কিংসফোর্ড হত্যার দায়িত্ব পড়েছিল ওদের উপরেই। অস্ত্র হিসাবে দেওয়া হল দুটি রিভলবার, একটা বোমা এবং কিছু অর্থ।

মুজঃফরপুরে পাঠানো হল দুজনকে। কিংসফোর্ডের গতিবিধি নজর দেখে তারপর ছক কষা হল হত্যার। ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইউরোপিয়ান ক্লাবের গেটে প্রতিক্ষারত দুই কিশোর। কিংসফোর্ড এলেই মারা হবে বোমা। কিংসফোর্ডের গাড়ি ক্লাব থেকে বেরোল। ক্ষুদিরাম এবং প্রফুল্ল চাকী বোমা মেরে পালালেন। কিন্তু বেঁচে গেল কিংসফোর্ড। কীভাবে? সেই গাড়িতে ছিলই না সে। ছিলেন ব্যারিস্টার প্রিঙ্গল কেনেডির স্ত্রী ও কন্যা। মেয়ে মারা যায়, বেঁচে যায় কেনেডি। গুরুতর আহত হন তিনি।

পালিয়ে গেলেও উইনি রেল ষ্টেশন থেকে ক্ষুদিরামকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যদিকে প্রফুল্ল চাকী ছদ্মবেশে সমস্তিপুর যান। ছিলেন রেলকর্মী ত্রিগুণাচরণ ঘোষের আশ্রয়ে। রাতের ট্রেনের ইন্টার ক্লাস টিকিট হয়ে গিয়েছিল। মোকাম ঘাট যাওয়ার ট্রেনে উঠেও পড়েও পলায়ন ব্যর্থ হয় বিশ্বাসঘাতক পুলিশ পদাধিকারী নন্দলাল ব্যানার্জীর জন্য। নন্দলাল প্রফুল্লকে ধরতে গেলে বিপদের আঁচ করেই পালায় সে। আত্মসমর্পণ করতে রাজি ছিল না। তবু পুলিশের পুলিশ এমন তাড়া করল যে শেষে আর পালাবার পথ ছিল না।

নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করে প্রফুল্ল চাকী। ক্ষুদিরামের বিচারে ফাঁসির আদেশ হয়। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট হাতে গীতা ও ঠোঁটে ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনি দিয়ে হাসি হাসি ফাঁসির দড়ি গলায় তুলে নেয় ক্ষুদিরাম বসু।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article