32 C
Kolkata
Sunday, May 16, 2021

বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেল বাম, এর দায় নেতাদের নিতে হবে : তন্ময় ভট্টাচার্য – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম বিধানসভায় বাম, কংগ্রেস নেই। রাজ্যে ২০১৬-র তুলনায় ২০২১-এ একেবারে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেল বাম, কংগ্রেস। নিজেদের বিজেপি-র বিকল্প বলে দাবি করে। কিন্তু মানুষ যে সেটা মনে করে না, ২০২১-এর নির্বাচনের ফল সেটা বুঝিয়ে দিল। আর এই পরাজয়ের দায় সিপিএমের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিতে হবে বলে দাবি করলেন সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য।

সিপিএম এবারের নির্বাচনে ৪.৫% ভোট পেয়েছে। আর কংগ্রেস পেয়েছে ৩% ভোট। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বাম+কংগ্রেস পায় ৩৭.১৪% ভোট। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে বাম পেয়েছিল ৭.৫% ভোট আর কংগ্রেস পেয়েছিল ৫.৫% ভোট। এই ভিতের হার হ্রাস বজায় রইল।

কেন এই ফল হলো বামেদের? এই প্রসঙ্গে তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, “এর আগে লোকসভায় বামেরা শূন্য হয়ে গেলো। সেই দায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিলো না। এবার বিধানসভায় বামেরা শূন্য হয়ে গেলো, কেন্দ্রীয় যে নেতাদের জন্য এটা হলো তাঁদের এই দায় নিতে হবে। এই পরাজয়ের জন্য প্রার্থী বা কর্মীরা দায়ী নয়। নরেন্দ্র মোদীকে আটকে দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা। মানুষ মনে করেছে বিজেপিকে জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর আস্থা রাখা যায়।”

এর পর তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের দলের কিছু নেতা আছেন তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় লরেখেন আমরা ভোটার রাজনীতি করি না। রাস্তায় থাকি। মানুষ তাই তাঁদের ফুটো বাটি হাতে দিয়ে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। মানুষ এটা মনে করেছি। তাই মানুষের রায়কে দলের মেনে নিতে হবে, কোনও হালকা যুক্তি দিয়ে বলা যাবে না ইটা মানুষ ভুল করেছে। আমি যে এসব বলছি তাতে দলের কোনও নেতা বলতে পারেন, এসব বাইরে না বলে ভেতরে বলা উচিত। আমি বলি যে সিস্টেমটা উলঙ্গ হয়ে গেছে তার আর ভিতর বাহির কী? মানুষ বামেদের যোগ্য মনে না করে শূন্যে পরিণত করে দিয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যারা ব্রিগেডে ভিড় করেছিল তাদের ভোট বামেদের ঘরে পড়েছে কি না সেটা দেখতে হবে। আমাদের নেতাদের মধ্যে মানুষকে বোঝার অধিকার আছে কী না সেটা ভাবতে হবে।”

তন্ময়বাবু বলেন, “আমাদের পার্টিতে কোনও ডিজাইনে করে সেটা দলকে মানতে বলা হয়। এই ডিজাইনটাই জোটের ক্ষেত্রে হয়েছে। আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট করতে পলিটব্যুরোর দু’একজন নেতা তৎপর হয়েছেন। ব্রিগেডে অধীর চৌধুরীকে থামিয়ে আব্বাস সিদ্দিকীকে বলতে দেওয়া মানুষ ভালো চোখে নেয়নি। কংগ্রেসের মতি একটা দল, অধীর চৌধুরীর মতো একজন নেতার সঙ্গে এটা করা যায় না। দলকে আরও সময়উপযোগী হতে হবে। স্তালিনের সময় ধরে ভাবলে হবে না। দলে হোলটাইমার আছে। তাদের এখনও ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। অথচ এই দল দাবি করে ২১ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে। দল না পারলে হোল টাইমার রাখবে না। এসব এখন ভাবতে হবে। কংগ্রেসের সঙ্গে ২০১৬ সালে জোট করে বামেদের ফল ভালো হয়েছিল।” এবার আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট করা যে দু’জন পলিটব্যুরো সদস্যের জন্য হয়েছে, সেটা না হলেও যে ভালো হতো সেটাও তণ্ময়বাবু তাঁর কথায় বুঝিয়ে দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article