28 C
Kolkata
Sunday, May 9, 2021

বাটলারের বিধ্বংসী শতরানে সানরাইজার্সকে ২২১ রানের লক্ষ্যমাত্রা রয়্যালসের – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

নয়াদিল্লি: ফের রানের বন্যা নয়াদিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। মুম্বই বনাম চেন্নাই শনিবারের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের রেশ এখনও ফিকে হয়নি। পোলার্ডের ‘অতিমানবিক’ ইনিংসে ২১৮ রান তাড়া করে মুম্বই’য়ের জয়ের কয়েকঘন্টার মধ্যে একই স্টেডিয়ামে রানের পাহাড়ে চড়ল রাজস্থান রয়্যালস। জোস বাটলারের ৬৪ বলে ১২৪ রানের সৌজন্যে ২০ ওভারে ২২০ রান তুলল রয়্যালস।

টুর্নামেন্টের মাঝপথে সম্প্রতি ওয়ার্নারকে অধিনায়ক পদ থেকে সরানোর পর এদিন রয়্যালসের বিরুদ্ধে অজি ওপেনারকে ছাড়াই মাঠে নামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টস জিতে এদিন রাজস্থানকে প্রথমে ব্যাটিং’য়ে আমন্ত্রণ জানান নয়া অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তৃতীয় ওভারে যশস্বী জয়সওয়াল ফেরেন ব্যক্তিগত ১২ রানের মাথায়। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে বাটলার এবং অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের জুটিতে বিপক্ষ বোলারদের উপর জাঁকিয়ে বসে রাজস্থান।

বিশেষ করে সানরাইজার্স বোলারদের বিরুদ্ধে সংহার মূর্তি ধারণ করেন জোস বাটলার। এই দুই ব্যাটসম্যানের জুটিতে দ্বিতীয় উইকেটে যোগ হয় ১৫০ রান। অধিনায়ক সঞ্জু অল্পের জন্য হাফসেঞ্চুরি হাতছাড়া করে ৩৩ বলে ৪৮ রানে ফিরলেও ঠেকানো যায়নি বাটলারকে। প্রথম ৫০ রান করতে ৩৯ বল খরচ করলেও ইংরেজ ব্যাটসম্যানের পরের ৫০ রান আসে মাত্র ১৭ বলে।

অর্থাৎ, ৫৬ বলে কেরিয়ারের প্রথম টি-২০ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রয়্যালস তারকা। আর বাটলারের বিধ্বংসী ব্যাটেই পাহাড়সমান রানের পাহাড়ে চড়ে বসে গোলাপিব্রিগেড। সন্দীপ শর্মা, খলিল আহমেদ, বিজয় শংকরদের উপর এদিন নির্দয় বাটলার ৬৪ বলে ১২৪ রানের ইনিংস খেলেন। ইংরেজ ব্যাটসম্যান যখন আউট হন তখন ১৯ ওভারে দলের রান ২০৯। অর্থাৎ, ততক্ষণে রানের পাহাড়ে চড়ে বসেছে রয়্যালস।

অন্তিম ওভারে রয়্যালসদের খাতায় যোগ হয় ১১ রান। ৮ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন রিয়ান পরাগ এবং ডেভিড মিলার অপরাজিত থাকেন ৩ বলে ৭ রানে। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে এই বিশাল রান তোলে রয়্যালস। সানরাইজার্সের হয়ে একটি করে উইকেট পান সন্দীপ শর্মা, রশিদ খান এবং বিজয় শংকর। এখন দেখার গতকাল পোলার্ডের মতো পালটা কোনও ধামাকা আসে নাকি সানরাইজার্স শিবির থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article