নারী সুরক্ষা শিকেয়! বন্দুক ঠেকিয়ে গণধর্ষণ দলিত মহিলাকে – Sangbad | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

প্রতীকি ছবি

কানপুর : ফের সংবাদ শিরোনামে উত্তরপ্রদেশ। যোগী প্রশাসনের একের পর এক ব্যর্থতা সামনে চলে আসছে। ফের দলিত মহিলাকে গণধর্ষণের শিকার হতে হল উত্তরপ্রদেশে। রবিবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে বন্দুকের ভয় দেখিয়ে দুই ব্যক্তি এক দলিত মহিলাকে ধর্ষণ করে।

অভিযুক্তদের মধ্যে গ্রামের প্রাক্তন প্রধান ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কানপুরের দেহাত জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। এক সপ্তাহ আগে এই ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের কাছে খবর আসে রবিবার।

কানপুর দেহাতের পুলিশ সুপার কেশব কুমার চৌধুরি জানিয়েছেন একথা । নির্যাতিতা মহিলার বাবা মা পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁদের বয়ান অনুযায়ী ২২ বছরের ওই তরুণীকে প্রাণের ভয় দেখিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। এরপর তাঁকে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালায় অভিযুক্তরা।

পরে জ্ঞান ফিরলেও মৃত্যুভয়ে কাউকে কিছু জানাতে পারেনি ওই তরুণী। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন অভিযোগ পেয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় তিনজনের একটি পুলিশ টিম তৈরি করা হয়েছে। এই টিম তদন্ত শুরু করেছে। ডেরাপুর এসএইচও, সার্কেল অফিসার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এই টিমে রয়েছেন।

অভিযুক্তদের গ্রেফতারির জন্য দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাথরসের ক্ষত শুকোতে না শুকোতেই ফের একটা ঘটনা উত্তরপ্রদেশে। উল্লেখ্য, হাথরসের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার কড়া নিন্দা করেছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ মাঝরাতে পরিবারের অনুমতি না নিয়ে যেভাবে পুলিশ হাথরসের নির্যাতিতার দেহ সৎকার করেছে, তা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা।

পুলিশের ভূমিকা এরকম হতে পারে না বলে কড়া ভর্ৎসনা করে আদালত। এদিন এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ জানায়, পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত এগোতে হত। পুলিশ আধিকারিকরা সহযোগিতা করছেন না বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তারও সমালোচনা করে হাইকোর্ট।

এদিন নিজের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করে অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল (আইন শৃঙ্খলা) প্রশান্ত কুমার ও হাথরসের জেলাশাসক প্রবীণ কুমার লাকসারের ভূমিকার কথাও। পরিবারের অমতে যেভাবে নির্যাতিতার সৎকার হয়েছে, তা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে ব্যাখ্যা করে আদালত।

এই ধরণের ভূমিকা গ্রহণ করার কোনও কারণ বা সদুত্তর পুলিশ দিতে পারেনি বলে পর্যবেক্ষণ আদালতের। উল্লেখ্য হাসপাতালে হাথরসের নির্যাতিতার মৃত্যুর পরেই চুপিসারে মৃতদেহ তুলে নিয়ে গিয়ে জ্বালিয়ে দেয় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। পরে চিতাভস্ম তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব ‘দশভূজা’য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।

Leave a Comment

%d bloggers like this: