31 C
Kolkata
Friday, May 7, 2021

তৈরি হচ্ছে নতুন গ্রহ, ছবি শেয়ার করল নাসা – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

ওয়াশিংটন: গ্রহ কীভাবে তৈরি হয়েছে? তার কোনও স্পষ্ট প্রমাণ নেই। পৃথিবী তৈরির ইতিহাস রয়েছে। রয়েছে বৈজ্ঞানিক প্রমাণও। কিন্তু চোখের সামনে কোনও গ্রহ তৈরি হতে কি কেউ দেখেছ? এবার নাসার দৌলতে তেমনই দৃশ্যের সাক্ষী থাকল দেশবাসী। নাসার হাবল টেলিস্কোপ বৃহস্পতির মতো একটি বড় গ্রহ তৈরির ছবি শেয়ার করেছে।

নাসা একটি এক্সপ্ল্যানেটের ছবি শেয়ার করেছে যেটি সৌরজগতের বাইরে তৈরি হচ্ছে। PDS 70b নামে এই এক্সোপ্ল্যানেট একটি নতুন নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে। আমেরিকার এই স্পেস এজেন্সি জানিয়েছে, একটি যুবক প্ল্যানেট তৈরি হচ্ছে। বর্তমান আকারে হওয়ার চেষ্টা চলছে। নাসা যে ছবিগুলো শেয়ার করেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি লাল, তপ্ত গ্রহ থেকে ইলেকট্রিক স্পার্ক নির্গত হচ্ছে। তার চারপাশে রয়েছে নীল রিং। যেন মনে হচ্ছে বাইরের থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য টিউব দিয়ে সে নিজেকে ঘিরে রেখেছে। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, সূর্য থেকে ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে যেভাবে গ্রহ তৈরি হয়েছিল, এটি ঠিক সেই রকমই।

কীভাবে বিভিন্ন রকম জিনিস দিয়ে একটি গ্রহ তৈরি হয় তা-ই দেখাচ্ছে PDS 70b। এই গোটা সিস্টেম- এক্সোপ্ল্যানেট ও যুবক নক্ষত্র পৃথিবী থেকে ৩৭০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। নাসা জানিয়েছে যে এখন পর্যন্ত ৪ হাজারেরও বেশি এক্সোপ্ল্যানেটের তথ্য এসেছে। তবে তার মধ্য়ে প্রায় ১৫ টিই শুধুমাত্র প্রত্যক্ষ টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এই গ্রহগুলো এত দূরে অবস্থিত এবং এত ছোট যে এগুলিকে ছবিতে একটি ডটের মতো দেখা যায়। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে হাবলের নতুন কৌশল গবেষণার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নতুন এক দিক খুলে দিতে পারে। অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রেন্ডন বোলার জানিয়েছেন, “এই প্ল্যানেটারি সিস্টেম কীভাবে গ্রহ তৈরি হয় তা দেখার জন্য আমাদের প্রথমবার সাক্ষী থাকার সুযোগ দিল। আমাদের ফলাফল এই গবেষণার জন্য একটি নতুন দিশা উন্মুক্ত করে দিয়েছে।”

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.



Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article