32 C
Kolkata
Sunday, May 16, 2021

তিস্তা চুক্তি নিয়ে আশাবাদী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকবে: বাংলাদেশ –

Must read

ঢাকা: প্রতিবেশি ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের ক্ষমতায়। টানা তিনবার তিনি জয়ী হলেন। তাঁর জয়ের পরেই তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে বার্তা দিল বাংলাদেশ।

ঢাকায় বিদেশমন্ত্রী ড এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের বিষয়টি বাংলাদেশের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক থাকবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর চলছে। দুই দেশের মধ্যে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। মূলত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অবস্থানেই এই চুক্তি আটকে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। তবে তিস্তা জলবন্টন চুক্তি করতে রাজি নন মমতা। তাঁর যুক্তি, গ্রীষ্মকালে তিস্তার জল এমনিতেই কম থাকে। কোনওভাবেই জল দেওয়া সম্ভব নয়।

তিস্তার জলপ্রবাহ আন্তর্জাতিক। ভারতের সিকিম থেকে বেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ও বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তিস্তা। বাংলাদেশের যুক্তি তিস্তার জলপ্রবাহের অংশ আটকে না রেখে বাংলাদেশকে দিতে হবে। এই নিয়ে আলোচনা চলছে।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিদেশমন্ত্রী ড এ কে আবদুল মোমেন বলেন, তিস্তা নদীর জল বণ্টন নিয়ে আমরা আগের মতো কাজ করে যাব। এতে কোনও সমস্যা হবে না।

প্রতিবেশি ভারতের দুই রাজ্য অসম ও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। ভারতের এই দুই রাজ্যের নির্বাচনে বারবার বাংলাদেশ ইস্যু হয়েছে।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে কূটনৈতিক বার্তা দিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকায় বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক একই রকম থাকবে। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের বন্ধু দেশ। ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে।

করোনাভাইরাস টিকা দান কর্মসূচিতে ভারতের সাহায্য এসেছে। তবে সেদেশে করোনার সংক্রমণ এখন উদ্বেগজনক। অক্সিজেন ও টিকা সংকট চলছে। এই অবস্থায় চুক্তি অনুসারে ভারতের পক্ষে বাকি টিকা এখনই পাঠানো সম্ভব নয় বলেই মনে করছে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি বুঝে রাশিয়া ও চিনের টিকার উপরে ভরসা করেছে ঢাকা। রুশ টিকা স্পুটনিক ভি ও চিনের তৈরি সিনোভ্যাক টিকা বাংলাদেশে প্রয়োগ করা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article