জিএসটি ক্ষতিপূরণের উদ্দেশ্যে ঋণ নিতে চলেছে কেন্দ্র – Sangbad | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

নয়াদিল্লি: জিএসটি ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলির কাছ থেকে চাপ আসছিল কেন্দ্রের উপর। এমন পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান কিছুটা বদলে নিল মোদী সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কেন্দ্র প্রায় ১.১ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নেবে। আর ওই অর্থ থেকেই জিএসটি ঘাটতি মেটাতে রাজ্যগুলিকে ঋণ দেবে।

করোনা এবং লকডাউনের জেরে অর্থনীতির বেহাল দশা। তার ফলে রাজস্ব কমেছে। এদিকে প্রতিশ্রুতি মত জিএসটি ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় রাজ্যগুলিকে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

এর আগে ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বদলে কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে ঋণ নেওয়ার কথা বলেছিল।কেন্দ্রীয় হিসেব অনুসারে, চলতি আর্থিক বছরের জন্য রাজ্যগুলির ক্ষতিপূরণ দরকার ৩ লক্ষ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৬৫,০০০ কোটি টাকা মিলবে জিএসটির অন্তর্গত সেস থেকে। যার ফলে এক্ষেত্রে মোট ঘাটতি হতে পারে ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা। এরমধ্যে ৯৭,০০০ কোটি টাকা জিএসটির জন্য ঘাটতি হবে আর বাকিটা করোনার প্রভাবে অর্থনীতির অবস্থান জন্য।

এই ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধী শাসিত কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের চরম মতবিরোধ দেখা দেয়। কেন্দ্র জানিয়েছিল ক্ষতিপূরণ তাদেরকে দেওয়া সম্ভব নয় বরং রাজ্যগুলি ঋণ নিক। উল্টে ওই রাজ্যগুলি জানিয়েছিল, তাহলে বরং কেন্দ্র ঋণ নিয়ে রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দিক। তাছাড়া রাজ্যগুলি এমন অভিযোগও করেছিল সংখ্যাগরিষ্ঠতা দোহাই দিয়ে রাজ্য গুলির উপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে কেন্দ্র।

এবার এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র কিছুটা মধ্যপন্থা নিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা। কেন্দ্র সব রাজ্য রাজি হবে এই আশাতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১.১ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে নেবে। সেই অর্থ সরাসরি ক্ষতিপূরণ হিসেবে না দিলেও রাজ্যগুলিকে ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে। ফলের কেন্দ্রের রাজকোষের ঘাটতি বৃদ্ধি না হলেও মূলধনী আয়ের খাতায় কেন্দ্রের ঋণ হিসেবে দেখানো হবে। তবে এতে অবশ্য রাজ্যের দেনার বোঝা বেড়ে যাবে।

সীতারামনের যুক্তি ছিল, কেন্দ্র যদি ধার নেয় তাহলে সুদের হার বেড়ে যাবে। তবে অর্থ মন্ত্রকের আধিকারিকদের বক্তব্য, এখানে কেন্দ্রের ভূমিকাটা অনেকটা মধ্যস্থতাকারীর মতো। আখেরে কেন্দ্রের নয় রাজ্যেরই কিন্তু ঋণের বোঝা বাড়ছে। তবে সেটা মূলত খাতায় কলমে যেহেতু রাজ্যকে এই ঋণ শোধ করতে হবে না। ২০২২ সালের পর জিএসটি সেস বসিয়ে সেটা শোধ করা হবে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব ‘দশভূজা’য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।

Leave a Comment

%d bloggers like this: