31 C
Kolkata
Friday, May 7, 2021

জল নয় পাহাড়ের গা বেয়ে নামছে আগুনের ঝর্ণা! –

Must read

ছোটবেলায় আমরা পড়েছিলাম “ঝর্ণা ঝর্ণা সুন্দরী ঝর্ণা”। এই সুন্দর ঝর্ণা মানেই একরাশ জল নেমে আসছে পাহাড়ের গা বেয়ে এমনটাই আমরা কল্পনা করে থাকি।

তবে কখনো শুনেছেন যে জল নয় বরং পাহাড়ের গা বেয়ে আগুনের ঝর্ণা ধারা বয়ে চলেছে? বিষয়টি অবাক করার মতোই।

কালো কুচকুচে পাহাড়ের উপর সাদা বরফের স্তর জমেছে। আর তার গা দিয়ে ঝরছে আগুনে লাল রঙের আভা।

তবে এমন চমক এক বছরের মধ্যে শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই দেখা যায়। ক্যালিফোর্নিয়ার ইয়সমাইট ভ্যালিতে (yosemite fire falls) গেলে এমন অদ্ভুত ফায়ারফলস দেখতে পাবেন আপনি।

শীত থেকে শুরু হয় এই ঝর্ণা (yosemite fire falls) এবং বসন্তের প্রাক্কাল পর্যন্ত স্থায়ী থাকে এই ফায়ারফলস। সূর্যের আলোয় জলপ্রপাতের জলের রং হয়ে যায় একেবারে আগুনের মতো উজ্জ্বল কমলা বর্ণের।

আরো পোস্ট- লিকার চা, গ্রিন টি নয়! চুল বাঁচাতে সম্বল এটাই

দূর থেকে মনে হবে যেন পাহাড়ের গা বেয়ে আগ্নেয়গিরির কোনো শিখা ছুটে আসছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সিয়েরা নেভাদায় এই জাতীয় উদ্যানটি রয়েছে।

এটি অত্যন্ত শান্ত প্রর্কৃতির একটি প্রাকৃতিক উদ্যান। সবুজ রঙের বড় বড় ফার্ণ, পাইন গাছের প্রাচুর্য রয়েছে পার্কের মধ্যেই।

আর ঠিক তার মধ্যে থেকেই পাহাড়ের চূড়া বেয়ে বইছে আগুনের এই অদ্ভুত ঝর্ণা (yosemite fire falls)। আগে ইয়সমাইটের বাসিন্দা মনে করতেন, ওই জলপ্রপাতের নিচে কেউ বনফায়ার করছে।

প্রতিদিন যেন রাত ৯ টা হলেই টানা ১০ দিন ধরে সেখানে আগুন জ্বেলে রাখে কেউ। তার জন্যই ওই ঝর্ণাও আগুন-জলে পরিণত হয়।

১৯৬৮ সালের পর থেকে ওই জায়গায় মানুষের যাওয়া নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। তবে এই উপত্যকায় বসবাসকারী আওয়াহিনীচি ইন্ডিয়ানরা সম্ভবত এর অস্তিত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন।

১৯৭৩ সালে ফটোগ্রাফার গ্যালেন রওয়েল এই ঝর্ণার (yosemite fire falls) ছবি তুলতেই তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এখন পর্যটকদের (tourist spot) ভিড়ে বের বিখ্যাত হয়ে উঠেছে এই স্থানটি।

ইআই ক্যাপ্টেন পিকের পূর্ব দিকে এই জলপ্রপাতকে (yosemite fire falls) ঘিরেই প্রকৃতি প্রেমী (nature lover) মানুষের উন্মাদনা থাকে ফেব্রুয়ারি মাসের মাত্র ১০ দিনের জন্যে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article