ঘুম থেকে ওঠার সময়ও বেঁধে দিল চিন, না উঠলেই শাস্তি – Sangbad | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

বেজিং: চিনে বসবাস করতে গেলে মেনে চলতে হয় হাজার একটা নিয়ম। সেদেশের সরকারের নিয়মের বেড়াজালে প্রাণ ওষ্ঠাগত বাসিন্দাদের। এবার ছাত্রছাত্রীদের ঘুম থেকে ওঠার সময়ও বেঁধে দিল চিন।

সকাল ৮ টার বেশি সময় ঘুমনো যাবে না। যারা স্নাতক হয়নি, তাদের জন্য এই নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যারা স্নাতকোত্তরের ছাত্র, তারা এক ঘণ্টা বেশি ঘুমনোর সময় পাবেন। হস্টেলের কেয়ারটেকাররা ঘুরে দেখবেন, কেউ নিয়ম ভাঙছে কিনা। নিয়ম ভাঙলেই শাস্তি।

সাংহাই ইউনিভার্সিটিতে এই নিয়ম জারি করা হয়েছে। যেখানে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করেন অন্তত ২০,০০০ ছাত্রছাত্রী। স্নাকোত্তরে ১৬,৫০০ জন।

ইউনিভার্সিটির নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেকদিন ঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠে পড়তে হবে ছাত্রছাত্রীদের। এছাড়া নিজের বেড ছাড়া অন্য কোনও বেড খালি থাকলেও সেখানে ঘুমনো যাবে না। এতে সোশ্যাল বিহেভিআওয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ পয়েন্ট কাটা যাবে। আর এভাবে পয়েন্ট কমে গেলে স্কলারশিপ পেতে অসুবিধা হবে।

অনেকেই বলছেন, এটা কী ইউনিভার্সিটি নাকি জেলখানা?

অনেক ছাত্রছাত্রী বলছেন, প্রজেক্ট শেষ করতে তাঁদের রাতে অনেকক্ষণ জেগে থাকতে হয়, ফলে সকালে ওঠাটা তাদের কাছে শাস্তি। তাঁরা এই নিয়মে রীতিমত আতঙ্কিত। কারণ অনেক সময় তাঁদের সারা রাত জেগে থাকতে হয়।

সম্প্রতি নার্সারি ক্লাসের খুদে শিশুদের খাবারের বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে দেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয় চিনের এক কিন্ডারগার্ডেনের শিক্ষিকাকে।

জানা গিয়েছে, চিনের জিয়াজুও প্রদেশের একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন ওয়াং ইউন নামের একজন মহিলা। গত বছর বাচ্চাদের পড়ানো নিয়ে তাঁরই স্কুলের এক সহকর্মীর সঙ্গে বচসা বাঁধে তার। এরপর প্রতিহিংসা বশত তিনি স্কুলের বাচ্চাদের টিফিনের খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট মিশিয়ে দেয়। যার ফলে ঘটনার কিছুক্ষনের মধ্যেই বাচ্চারা অসুস্থ বোধ করতে থাকে এবং বমি করতে শুরু করে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে দ্রুত তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়। পরে সেখানে একজন শিশুর মৃত্যু হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পড়ুয়াদের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ওয়াং উইনকে গ্রেফতার করে মামলা শুরু করে প্রশাসন।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব ‘দশভূজা’য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।

Leave a Comment

%d bloggers like this: