করোনার মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে ‘সোয়াইন করোনাভাইরাস’, সর্তকবার্তা বিজ্ঞানীদের – Sangbad | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

বেজিং : একে রামে রক্ষা নেই, দোসর লক্ষন! বছর শেষ হতে চললো এখনও করোনার কাঁটায় বিদ্ধ গোটা পৃথিবী। মারণ ব্যাধির থাবায় বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। সিঁদুরে মেঘ দেখাচ্ছে করোনার দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ। করোনার সংক্রমণের জেরে যখন অসহায় গোটা বিশ্ব ঠিক তখনই নতুন করে আশঙ্কার কথা শোনালেন একদল বিজ্ঞানী।

একটা মহামারীর রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে সুদূর ভবিষ্যতে আরও একটা অতিমারী থাবা বসাতে পারে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারত, আমেরিকা, ব্রাজিল, স্পেন সহ ইউরোপ মহাদেশের বিভিন্ন দেশ গুলি যখন করোনার প্রথম ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি ঠিক তখনই ‘সোয়াইন করোনাভাইরাস’ নিয়ে সর্তক করলেন গবেষকরা। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে প্রথম চিন থেকেই এই ‘সোয়াইন’ নামক ফ্লুর প্রথম প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এটি হল করোনাভাইরাসের নতুন একটি ‘সেট্রইন’ । যাকে বিজ্ঞানীরা ‘সোয়াইন করোনাভাইরাস’ বলে উল্লেখ করেছেন। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, এই রোগ প্রধানত শূকরদের দেহ থেকে ছড়ায় পড়ে তা মানব দেহকে সংক্রমিত করে। করোনাভাইরাসের মতোন এই রোগে আক্রান্ত হলে বমিবমি ভাব বা ডায়েরিয়ার মতো লক্ষন দেখা যায়। ২০১৬ সালে চিনে যখন প্রথম এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিলো, সেই সময় গোটা চিনে প্রচুর সংখ্যক শূকর পেট খারাপের কারণে মারা গিয়েছিলো। নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই নতুন স্ট্রেনের নাম সোয়াইন অ্যাকিউট ডায়েরিয়া সিনড্রোম করোনাভাইরাস বা SADS-CoV। এটি এসেছে বাদুড় থেকে। এই নয় কী সদ্য সদ্য আগমন ঘটেছে SADS-CoV। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শুকরের মাংসের উত্পাদনকারী বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ ছিল। এছাড়াও এই শিল্পটি এর আগে ২০১২ সালে আরও একটি সোয়াইন করোনাভাইরাস দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। মানুষের জন্য কতটা ক্ষতিকর এই সোয়াইন করোনাভাইরাস? এই বিষয়ে বলতে গিয়ে উত্তর ক্যারোলিনা গবেষকরা দেখিয়েছেন যে SADS-COV মানুষের শ্বাসনালী, যকৃত এবং অন্ত্রের কোষের মধ্যে সংক্রামিত করতে এবং ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। আর এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত এক বিজ্ঞানীর কথায়, এখনও পর্যন্ত SADS-CoV মানুষের শরীরে কোনও রকম সংক্রমণ ঘটায়নি। বা সে সুযোগ পায়নি। কিন্তু, সেই ক্ষমতা ভাইরাসটির পুরোমাত্রায় রয়েছে। SADS-CoV প্রাথমিক ভাবে মানব দেহের অন্ত্রের কোষে আক্রমণ করে। কিন্তু, অন্ত্রের কোষগুলি ছাড়াও মানুষের ফুসফুসে এর ভয়ানক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্ত্রের কোষেই এর বৃদ্ধি বেশি বলেই জানিয়েছেন তিনি।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব ‘দশভূজা’য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।

Leave a Comment

%d bloggers like this: