31.1 C
Kolkata
Thursday, May 13, 2021

ওয়াজে নয়, আম্বানিদের বাড়ির সামনে স্করপিও রেখেছিলেন তাঁর গাড়ি চালক – Kolkata24x7 | Read Latest Bengali News, Breaking News in Bangla from West Bengal’s Leading online Newspaper

Must read

মুম্বই: মুকেশ আম্বানির বাড়ির সামনে ব্যাগভর্তি বোমা কে বা কারা রেখেছিল সেই মামলায় তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ। মামলায় উঠে এসেছে মুম্বই পুলিশের এক অফিসার সচিন ওয়াজের নাম। তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু এবার সামনে এল আরও এক তথ্য। জানা গিয়েছে ওয়াজের ব্যক্তিগত গাড়ি চালক ওই বোমাভর্তি স্করপিও আম্বানির বাড়ি অ্যান্টিলার সামনে রেখেছিলেন।

এনআইএ-র তরফে এও জানানো হয়েছে ঘটনার দিন সচিন একটি সাদা ইনোভা চালিয়ে অ্য়ান্টিলার সামনে দিয়ে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গেই ছিল স্করপিও। আর এই স্করপিওটিই ছিল চুরি করা। ১৭ ফেব্রুয়ারি মনসুখ হিরেন নামে এক ব্যক্তি এটি মুলুন্ডি-আইরোলি রোডে পার্ক করে রেখেছিলেন। তারপর থেকে গাড়িটি নিখোঁজ হয়ে যায়। যদিও পুলিশের অনুমান সেদিন হিরেন পুলিশের হেডকোয়ার্টারে এসেছিলেন। তিনিই সচিন ওয়াজেকে তাঁর অফিসে গাড়ির চাবি দেন। সচিনের নির্দেশেই তাঁর ব্যক্তিগত গাড়ি চালক হিরেন যেখানে গাড়িটি রেখেছিলেন সেখানে যান ও গাড়ি সাকেট হাউজিং সোসাইটিতে সচিনের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

সূত্রের খবর, ঘটনার দিন সচিন ওই স্করপিও গাড়িটিকে অনুসরণ করছিলেন যাতে স্করপিওটিকে কোনও পুলিশি ঝামেলায় না পড়তে হয়। রাত ১০টার সময় স্করপিও গাড়িটি পার্ক করার পর চালক গাড়ি থেকে নেমে যান। এরপর তিনি ওয়াজের সঙ্গে ইনোভা গাড়িতে ওঠেন ও চলে যান। ইনোভাটিকে মুম্বইয়ে ফের অন্য এক নম্বর প্লেট লাগিয়ে ঢুকতে দেখা যায়। সেটি ফের আম্বানির বাড়ির সামনে যায়। সচিনকে গাড়ি থেকে কুর্তা পরে নামতে দেখা যায়। তখনই তিনি গাড়িতে হুমকি চিঠি রাখেন বলে অভিযোগ।

এই স্করপিও গাড়িটি ছাড়াও দিন কয়েক আগে একটি কালো মার্সিডিস-বেঞ্জ গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে এনআইএ। এটি ধৃত পুলিশ কর্মকর্তা সচিন ওয়াজের ছিল বলে অভিযোগ। এই অ্যান্টি টেরর এজেন্সি গাড়িটি থেকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা, একটি নোট গণনা করার মেশিন, কিছু কাপড় এবং এসইউভি গাড়ির লাইসেন্স প্লেট উদ্ধার করে। এনআইএ অফিসার অনিল শুক্লা সাংবাদিকদের জানান, গাড়িটি ব্য়বহার করতেন সচিন ওয়াজে। গাড়ির মালিকানা নিয়ে তদন্ত চলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article