24 C
Kolkata
Wednesday, May 12, 2021

উখিয়ায় পুলিশ-জনতা সংঘর্ষ: আহত ১০, আটক ২

Must read

কক্সবাজারের উখিয়ায় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনতার সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে পুলিশসহ অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন। আটক করা হয়েছে দুইজনকে।

রোববার (২ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, একটি স্কুল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কেন্দ্র করে প্রথমে ইউএনও’র গাড়িতে হামলা চালায় স্থানীয়রা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করলে স্থানীয়রা পাল্টা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে দুই পুলিশসহ ১০জন আহত হন। আহতরা হলেন- সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিলন কুমার বড়ুয়া, সহকারী শিক্ষক বাবুল আবছার, গ্রামবাসী দেলোয়ার (১৫), ফয়সাল (২০), হাসিনা বেগম (৩০), কবির আহমদ (৫০), মরিয়ম বেগম (৩৫) ও আবদু ছবি (১৬) নামে ৬ জনসহ আরও কয়েকজন।

সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শামশুল আলম ভুলু বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পাশে একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য উখিয়া উপজেলা সহকারী (ভূমি) কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে উখিয়া নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমদ আসেন। এসময় বিরোধিতা করেন স্থানীয় আবু সৈয়দ ওরফে ফজলী, মো. কালু, নুরুল আলম নুরুসহ কিছু গ্রামবাসী। এসময় তাদের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। এতে বিরোধিতাকারীরা তেড়ে এলে উভয়পক্ষে সংঘর্ষ হয়। এসময় ইউএনও’র গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধরা। পরে ঘটনাস্থলে উখিয়া থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে গ্রামবাসীর ওপর গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।’

ওসি মঞ্জুর মোরশেদ বলেন, ‘স্কুল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তরকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবক সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি দেখে আকস্মিক পুলিশকে লক্ষ করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে তারা। বাধ্য হয়ে পুলিশ ফায়ার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় ঘটনার নেতৃত্বদানকারী ওই এলাকার আবু সৈয়দ ওরফে ফজলী ও মো. কালুকে গ্রেপ্তার করে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভবনের জন্য যে জমিটি নির্বাচন করা হয়েছে সেটিতে থাকা বিরোধ কিছুদিন আগে সমাধান হয়ে গেছে। কিন্তু, কিছু উচ্ছৃখল যুবক হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা করে। এসময় তাদের ইট পাটকেলের আঘাতে গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। পরে তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।



Source

- Advertisement -spot_img

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article